সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইয়ু দীর্ঘ ৩১ বছর সিঙ্গাপুর শাসন করেছিলেন বলেই মাত্র ৭২৯ বর্গ কিলোমিটারের সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ ও মাগুরা জেলার সমান হয়েও বাংলাদেশ থেকে অনেক অনেক উন্নত একটি দেশে পরিণত হতে পেরেছে। শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসন নিয়ে প্রশ্ন করেন, অথচ মালয়েশিয়ায় মাহাথির মোহাম্মদের ২২ বছরের শাসনকে স্বর্ণযুগ ভাবেন, এমন হিপোক্রেট জনগণ বাংলাদেশেই পাবেন। জার্মানিকে পুনরায় এক সমৃদ্ধ জনপদে রূপান্তরের কারিগর ছিলেন ১৬ বছর জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল। দক্ষিণ কোরিয়ার পার্ক চুং – হি একটানা ১৮ বছর দক্ষিণ কোরিয়া শাসন করেছিলেন বলেই দক্ষিণ কোরিয়া কিম জং উনের উত্তর কোরিয়া হয়ে যায়নি। যুক্তরাজ্যে ১১ বছর শাসন করা মার্গারেট থ্যাচারের মতো বাংলাদেশে একটানা ১৬ বছর শাসন করা শেখ হাসিনার ইতিহাস আপনি চাইলেও ভুলতে পারবেন না।

আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক লি কুয়ান ইউ এর মতো আজকের আধুনিক বাংলাদেশের জনক শেখ হাসিনা।২০০৯ সালে শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তখন বাংলাদেশ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের ” বটমলেস বাস্কেট” তলাবিহীন ঝুড়ি।
শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনে বাংলাদেশ এগিয়েছে না পিছিয়েছে তা সমগ্র বিশ্ববাসীর সামনে একটি দলিল হয়ে আছে।
১৯৫০ সালে পৃথিবীর বৃহত্তম তেল সমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলা পৃথিবীর একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ ছিলো। কিন্তু হুগো শ্যাভেজ ও নিকোলাস মাদুরোর অযোগ্য ও অদক্ষ নেতৃত্বের কারণে জাপান ও জার্মানির চেয়েও মাথাপিছু আয় বেশি থাকা এই দেশটি আজ গভীর অর্থনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত।বিশ শতকের শুরুতে আর্জেন্টিনা পৃথিবীর অন্যতম ধনী দেশ থাকলেও হুয়ান পেরোন এর অদক্ষ শাসন ও দুর্নীতির কারণে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক মন্দার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। জিম্বাবুয়ের রবার্ট মুগাবের মত বাংলাদেশের একজন ব্যর্থ শাসক ছিলেন জিয়াউর রহমান। মিয়ানমারের নে উইন এর মতো অদক্ষ শাসক ছিলেন ইউনূস। সঠিক নেতৃত্বের অভাবে ফসফেট খনির দেশ নাউরুর অবস্থা আজকে বাংলাদেশের তারেক রহমানের সরকারের মতো।

শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই আজ পরমাণু যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মানুষের ৬০ বছরের বিদ্যুতের ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা।এই সেবা চলতে থাকবে আগামী নব্বই বছর পর্যন্ত। একবারের জ্বালানি খরচেই দেশের মানুষের বিদ্যুৎ মিলবে ১৮ মাস! এরপরও ” শেখ হাসিনার সরকার , বারবার দরকার” এই সত্য স্বীকার করতে যাদের কষ্ট হচ্ছে , তারা এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
আজকের বাংলাদেশে মাত্র ৪.৫ গ্রাম ইউরেনিয়ামের পেলেট বা দানা দিয়ে কয়েক বছর নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎতের সুবিধা যে শেখ হাসিনা করে দিলেন তাকে ধন্যবাদ না জানানো বাঙালি জাতির অকৃতজ্ঞতার পরিচয়। মাত্র ৪.৫ গ্রাম ইউরেনিয়াম ৪১৭ লিটার ডিজেলের কাজ করবে , এই স্বপ্নকে সফল করার নায়ক শেখ হাসিনা। লিবিয়ায় প্রেসিডেন্ট গাদ্দাফি ৪২ বছর একটানা লিবিয়ায় ক্ষমতায় থেকেও ” রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র” এর মতো একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র লিবিয়ায় করতে পারেননি। গাদ্দাফি ৪২ বছরে যা পারেননি শেখ হাসিনা তা মাত্র ১৬ বছরে করে দেখিয়েছেন। ১৩০ টি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ৬ লাখ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন তৈরি করে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছেন শেখ হাসিনা।

২০২৫ সালে রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে ২৫ বিলিয়ন ডলারে ৫০০০ মেগাওয়াট সম্পন্ন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ এর চুক্তি হয়েছে। তাহলে দুই পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট থেকে ২৪০০ মেগাওয়াট এর ১৩.২ বিলিয়ন ডলারের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আপনি কোন বিবেক দিয়ে ৫ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতির গল্প প্রচার করছেন। তাহলে কি আমি ধরে নিবো ইরানের খামিনী সরকার ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১০ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতি করেছেন? ইরানের মানুষ বাংলাদেশের মানুষের মত পঙ্গপাল নয় , বরং তারা সচেতন। তারা জানে গালগল্প দিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব নয়।
ইরানের মতো বাংলাদেশের মানুষের জন্য মেট্রোরেলের ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা। দৈনিক ৪ লাখ যাত্রী পরিবহন ও শেখ হাসিনার মেট্রোরেলকে বিএনপি ও জামায়াত ” মনোরেল” বলে উপহাস করেছিল। ৯০ বছর বয়সে ফারাক্কা বাঁধ চালুর ১৫ বছর ঘুমিয়ে থাকার পর ” ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ ” করেছিলেন মাওলানা ভাসানী।আর শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হয়েই ডিসেম্বর মাসে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানি চুক্তির ৭০ হাজার কিউসেক পানির ব্যবস্থা করেছিলেন বাংলাদেশের মানুষের জন্য।অন্যরা শুধু গালগল্প আর ” দিল্লি না ঢাকা” স্লোগান দিয়ে আপনাদের বিভ্রান্ত করে গেছে যুগের পর যুগ । কিন্তু একমাত্র কাজ করে গেছেন শেখ হাসিনা। মাত্র ৯৩ বিলিয়ন ডলারের বাংলাদেশের অর্থনীতিকে যে শেখ হাসিনা মাত্র ১৬ বছরে ৪৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত করেছেন তাকে (শেখ হাসিনা) কে আপনাদের ধন্যবাদ না দিলেও চলবে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের জন্য আশীর্বাদ ছিলেন , তা ইতিমধ্যে দেশের মানুষ বুঝতে শুরু করে দিয়েছে।

জিয়াউর রহমান প্রায় ছয় বছর এবং এরশাদ নয় বছর সেনাবাহিনীর বন্দুক দিয়ে রাষ্ট্র চালালেও তাদের দোষ নেই। কিন্তু ১৬ বছর শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীকে রাস্তায় নামানো ছাড়াই দক্ষ হাতে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হক ১১ বছর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট থেকে যা করতে পারেননি শেখ হাসিনা মাত্র ১৬ বছর বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে তার ২০ গুণ বেশি উন্নয়ন করে আমাদের চেয়ে চার গুণ বড় রাষ্ট্র পাকিস্তানকে পর্যন্ত বাংলাদেশের পেছনে ফেলে দিয়েছেন। ভাবছেন, সব তো জনগণের ট্যাক্সের টাকা !!
👉 তাহলে বাংলাদেশের চেয়ে চারগুণ বড় পাকিস্তান ব্যর্থ কেন??
👉 দীর্ঘ ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ শাসন করা বিএনপি ও জামায়াত জোট ( এক মায়ের পেটের দুই ভাই) ব্যর্থ কেন !!

শেখ হাসিনা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। দীর্ঘ ছয় দশকের বেশি সময় আন্দোলন, সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে নিজেকে বিশ্ব রাজনৈতিক দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।


শেখ হাসিনার পিতার নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।তিনি বাংলাদেশের জাতির জনক। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সমুদ্র আইন (𝐔𝐍𝐂𝐋𝐎𝐒) অনুসরণ করে ” আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা ও সামুদ্রিক অঞ্চল আইন , ১৯৭৪ , ( 𝐓𝐡𝐞 𝐓𝐞𝐫𝐫𝐢𝐭𝐨𝐫𝐢𝐚𝐥 𝐖𝐚𝐭𝐞𝐫𝐬 𝐚𝐧𝐝 𝐌𝐚𝐫𝐢𝐭𝐢𝐦𝐞 𝐙𝐨𝐧𝐞 ) আইন আজ থেকে ৫২ বছর আগে করে গিয়েছিলেন বলেই শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে জার্মানির হামবুর্গে ” ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দ্য ল অব দ্য সি এর মাধ্যমে মায়ানমারের বিরুদ্ধে সমুদ্র বিজয় করেছেন। নেদারল্যান্ডস এর হেগে ভারতের বিরুদ্ধে ” পারমানেন্ট কোর্ট অব অরবিট্রেশনস( 𝐏𝐂𝐀) এর মাধ্যমে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩; বর্গকিলোমিটার সমুদ্র বিজয় করেন। আজ সেই সমুদ্রের উপর পা দিয়ে আপনারা বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানোর স্বপ্ন দেখছেন। এই স্বপ্নের ভিত্তি রচনা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করেছেন শেখ হাসিনা। অন্যরা শুধু আলাদীনের চেরাগ নিয়ে ব্যস্ত। এছাড়া তাদের আর কোন অর্জন নেই।
আজ থেকে ৫৪ বছর আগে ১৯৭২ সালে রাশিয়ার সাথে ২০০ মেগাওয়াটের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি করে গেছেন বঙ্গবন্ধু। শেখ হাসিনা ২৪০০ মেগাওয়াট এর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করে সারাবিশ্বকে দেখিয়ে দিয়ে পৃথিবীর ৩৩ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে পরমাণু ক্লাবের সদস্য করে গেছেন। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর জাপান সফরের মধ্য দিয়েই জাপান আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্ধু রাষ্ট্র। সেই জাপানকে দিয়ে বাংলাদেশের মেট্রোরেল স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করার কারিগর শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার কাছে কোন আলাদীনের চেরাগ ছিলো না। আজ থেকে ৫৪ বছর আগে করা বঙ্গবন্ধু সরকারের ” ইন্দিরা – মুজিব” চুক্তি অনুসরণ করে ৩০ বছরের গঙ্গার ন্যায্য হিস্যা ও ভারতের কাছ থেকে কোন যুদ্ধ ছাড়াই ১৭ হাজার একর ভুমি সমস্যার সামাধান করে তা বাংলাদেশের মানচিত্রের সাথে জুড়ে দিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্রের আয়তন বাড়িয়ে দিয়েছেন একজন শেখ হাসিনা। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা, দেশপ্রেম, দেশ পরিচালনায় দক্ষতা ও ভারসাম্যমূলক রাষ্ট্রনীতির কারণেই বাংলাদেশ হেনরি কিসিঞ্জারের তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ থেকে এশিয়ার রাইজিং টাইগার হতে পেরেছিল।


আজ ফুয়েল লোডিং এর মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের করা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে পারমাণবিক যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ।এর কৃতিত্বও একমাত্র শেখ হাসিনার। শেখ হাসিনার উন্নয়নে বিস্মৃত হয়ে বিশ্ববিখ্যাত পত্রিকা ইকোনমিস্ট শেখ হাসিনাকে ” 𝐓𝐡𝐞 𝐒𝐡𝐞𝐢𝐤𝐡 𝐇𝐚𝐬𝐢𝐧𝐚 𝐅𝐚𝐜𝐭𝐨𝐫 “ আখ্যা দিয়ে সংবাদ শিরোনাম করেছিল। বিশ্বের প্রভাবশালী পত্রিকাগুলো শেখ হাসিনাকে ” 𝐀𝐬𝐢𝐚’𝐬 𝐈𝐫𝐨𝐧 𝐋𝐚𝐝𝐲 ‘ ও ” 𝐖𝐢𝐥𝐢𝐞𝐬𝐭 𝐀𝐮𝐭𝐨𝐜𝐫𝐚𝐭 ‘ সম্মানে ভূষিত করেছিল। বিবিস শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিল , 𝐏𝐫𝐨 – 𝐝𝐞𝐦𝐨𝐜𝐫𝐚𝐜𝐲 𝐢𝐜𝐨𝐧 𝐰𝐡𝐨 𝐛𝐞𝐜𝐚𝐦𝐞 𝐚𝐧 𝐚𝐮𝐭𝐨𝐜𝐫𝐚𝐭 “
আল জাজিরার মতো সংবাদমাধ্যম লিখেছে শেখ হাসিনার উন্নয়নের রূপকথার গল্প। নিক্কেই এশিয়া শেখ হাসিনার উন্নয়নকে ” 𝐄𝐜𝐨𝐧𝐨𝐦𝐢𝐜𝐚𝐥 𝐌𝐢𝐫𝐚𝐜𝐥𝐞” আখ্যা দিয়েছিলো। সত্যিই তাই।চোখ বন্ধ করে আজকের বাংলাদেশের দিকে তাকালে ২৬ বছর আগের শেখ হাসিনা বিহীন বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি ছাড়া আপনার আর কিছুই মনে হবে না।

শেখ হাসিনা একহাতে রাষ্ট্রের উন্নয়ন সামলেছেন। বিএনপি ও জামায়াতের পেট্রোল বোমা সন্ত্রাসীদের বোতলবন্দি করেছিলেন। রাশিয়া, ভারত ও চীন তিন শক্তিকে এক সুতোয় গেঁথে বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের ইতিহাস ও আধুনিক বাংলাদেশের সৃষ্টি করে গেছেন। শেখ হাসিনাই আমাদের কাছে মাহাথির মোহাম্মদ। মালয়েশিয়ার মাহাথির মোহাম্মদের মতো আর ছয়টি বছর বাংলাদেশের সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিকেও একটা সময় ছাড়িয়ে যেতো এতে কোন সন্দেহই নেই। শেখ হাসিনাই চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের সাথে বাংলাদেশকে যুক্ত করে একের পর এক গভীর সমুদ্র বন্দর, ১০০ টা অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাজার হাজার হাইটেক পার্ক, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, টানেল , এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বঙ্গবন্ধু টানেল ও তৃতীয় বিমানবন্দর টার্মিনাল নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের ৩০০ কোটি মানুষের বাজারে পরিণত করেছিলেন। এজন্য বলা হয় –
” শেখ হাসিনার সমালোচনা খুবই সহজ। কিন্তু শেখ হাসিনার মত কাজ করে দেখানো শুধু কঠিন নয় , অসম্ভবও বটে।”

বাংলাদেশে আর শত বছরেও একজন শেখ হাসিনার জন্ম হবে না। এজন্য বিশ্ববিখ্যাত গার্ডিয়ান শেখ হাসিনাকে নিয়ে লিখেছিলো –
” 𝐂𝐡𝐢𝐥𝐝 𝐨𝐟 𝐭𝐡𝐞 𝐫𝐞𝐯𝐨𝐥𝐮𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐰𝐡𝐨 𝐞𝐫𝐨𝐝𝐞𝐝 𝐝𝐞𝐦𝐨𝐜𝐫𝐚𝐜𝐲.”