1. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সত্য সবসময় সুন্দর : আলফ্রেড নোবেল রূপপুর নিয়ে অপপ্রচার ভেঙে দিলেন রুশ রাষ্ট্রদূত: শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা গুজব’ ঢাকার আমেরিকা ও ভারতীয় দূতাবাসে বড় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা মার্শাল আর্টের আড়ালে উগ্রবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগ: ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ নিয়ে উদ্বেগ বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে নতুন বিতর্ক: সরকার ও প্রশাসনকে ঘিরে প্রশ্ন বাংলাদেশ পুলিশ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে দুই সাবেক সেনা সদস্যের যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য ‘ইউনূস সরকার দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে’ চারপাশের ‘চট্টগ্রাম বলয়’ ও গোয়েন্দা নির্ভরতাই কাল হয়েছিল শেখ হাসিনার উত্তরার ব্যারিকেড সরানোই ছিল পতনের চূড়ান্ত সংকেত, বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হাসিনা!

মার্শাল আর্টের আড়ালে উগ্রবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগ: ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ নিয়ে উদ্বেগ

দৈনিক নতুন আলো ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তরুণদের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস)’ নামের একটি সংগঠনের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সংগঠনটি গোপনে উগ্রপন্থী মতাদর্শ প্রচার এবং সদস্য সংগ্রহের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, শাহ আমানত সাবির নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে পরিচালিত এই নেটওয়ার্কের কার্যক্রম বিস্তৃত এবং এতে আফগানিস্তানফেরত কিছু উগ্রপন্থীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। বসিলা এলাকায় একটি আবাসন প্রকল্পের আড়ালে বিদেশি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার করে কার্যক্রম পরিচালনার কথাও উঠে এসেছে। একই সঙ্গে, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর আদলে বাংলাদেশে একটি নতুন সংগঠন গঠনের প্রচেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, খুলনা, যশোর ও চাঁদপুর জেলায়, বিশেষ করে সুতারখালী (খুলনা) ও অভয়নগর (যশোর) উপজেলায় মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করছে সংগঠনটি। এসব কেন্দ্রে প্রকাশ্যে আত্মরক্ষামূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও, গোপনে প্রশিক্ষণার্থীদের টেলিগ্রাম গ্রুপে উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর বিভিন্ন বক্তব্য ও প্রচার সামগ্রী শেয়ার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রশিক্ষণার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাছাই করে একটি অংশকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়ে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এমনকি তাদের বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়াও থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে মোঃ মাহফুজুর রহমান নামের এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গেছে, যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিতর্কিত ফেসবুক পেজ পরিচালনা করেন বলে জানা যায়। তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুক্ত থেকে সদস্য বাছাইয়ে সহায়তা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, সংগঠনটির প্রচারণায় ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলো ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত বলে প্রাথমিক যাচাইয়ে উঠে এসেছে, যা বিষয়টিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে।
এখন পর্যন্ত যাদের নাম এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হিসেবে উঠে এসেছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন শাহ আমানত সাবির, মোঃ মাহফুজুর রহমান, মোঃ হেমায়েত হোসেন, মোঃ শাদাত, আবু সুফিয়ান এবং আবু ওসামা (ফয়সাল হাসান)।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি, যাতে কোনো ধরনের উগ্রবাদী তৎপরতা বিস্তার লাভ করতে না পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD