আজ আর রাখঢাকের সুযোগ নেই। বাস্তবতা নির্মম ও স্পষ্ট—আওয়ামী লীগ ছাড়া এদেশে নির্বাচন এখন কার্যত অসম্ভব। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের আগে যদি নির্বাচন হতো, তখন হয়তো এই কথাটি বলা যেত না।
বাংলাদেশ আজ এক ভয়ংকর প্রশ্নের মুখোমুখি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হঠাৎ অসুস্থতা ও মৃত্যু কি কেবল নিয়তির পরিহাস, নাকি একটি নির্মম রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? লাখ লাখ ক্ষুব্ধ সমর্থক আজ রাজপথে,
রাজনীতিতে দ্বিচারিতা যখন কৌশলে পরিণত হয়, তখন তা আর নেতৃত্ব থাকে না—তা হয়ে ওঠে সুপরিকল্পিত প্রতারণা। ড. ইউনুসের রাজনৈতিক অবস্থান আজ সেই প্রতারণারই প্রতীক। দেশের ভেতরে ভারতবিরোধী আবেগে আগুন জ্বালানো,
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবে সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের একটি বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ওয়াচ বাংলার তথ্যসূত্র মতে সেখানে তিনি বলেন, “আমাদের মাথার দর নির্ধারিত হয়েছে। আর
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ডাক দিয়েছেন। সম্প্রতি এক অডিও বার্তায় তিনি দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও গণতান্ত্রিক
রাষ্ট্র পরিচালনার ন্যূনতম কর্তৃত্বও ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার—এমন অভিযোগ এখন প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। সামরিক ও বেসামরিক আমলাতন্ত্রের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় সরকার
আমি মুজিবকে বলে দিবো সে টাকা পরিশোধ করে দেবে……শেখ লুৎফুর রহমান শ্রদ্ধেয় সম্পাদক সাহেব, সালাম নিবেন। আশা করি কুশলেই আছেন। পরকথা হলো, আমি ‘মাসিক মদীনা’র একজন নিয়মিত গ্রাহক। গত দু’মাস
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া হিংসা ও অস্থিরতার পিছনে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর (ISI) হাত রয়েছে বলে মনে করছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের অন্দরেই গোপনে
৪ আগস্ট রাত থেকে ৫ আগস্ট সকাল পর্যন্ত সেনাপ্রধান ওয়াকারের সঙ্গে কথা হয়েছে ভারতের সেনাপ্রধানের। পরিস্থিতি উল্লেখ করে ভারতের সেনাপ্রধান ফোনে ওয়াকারকে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যেন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে
রাষ্ট্র কি আজ অপরাধীদের রক্ষাকবচে পরিণত হয়েছে? এই প্রশ্ন আর তাত্ত্বিক নয়, এটি বাস্তব ও জ্বলন্ত। যখন একটি রাষ্ট্র অপরাধীকে নিরাপত্তা দেয়, দুর্নীতিবাজকে সংবর্ধনা দেয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির জন্য পুরো