1. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনাকে নিয়ে দেশে ফিরব: বীর বিক্রম মায়া চৌধুরীর চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেখ হাসিনার প্রাসঙ্গিকতা দুবাই পুলিশের হাতে গ্রেফতার বেনজীর আহমেদ ‘স্কুলের চাপে’ ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ, ব্রাইট স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শিশু রামিসা হত্যা || নিজের সন্তানকে ছায়ার মতো আগলে রাখুন, বললেন মিলন রামিসা হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলো পুলিশ ইয়াবা সেবন করে রামিসার ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালায় ঘাতক সোহেল তারেক রহমানের সম্মতিতে সেইন্ট মার্টিন বিক্রি চুড়ান্ত হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া এসএসসি পাস, ঢাবির ছাত্র ছিলেন না ভুল বুঝতে পারছে ছাত্র-জনতা || কারিনার বিদায় || শেখ হাসিনার শূন্যতা আক্ষেপে জাতি || চোখে ভাসছেন শেখ হাসিনা

বাংলাদেশে হিংসার নেপথ্যে পাকিস্তানের ‘ঢাকা সেল’? ভারতের গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

দৈনিক নতুন আলো ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া হিংসা ও অস্থিরতার পিছনে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর (ISI) হাত রয়েছে বলে মনে করছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের অন্দরেই গোপনে তৈরি করা হয়েছে একটি বিশেষ ইউনিট, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ঢাকা সেল’। এই সেলের মাধ্যমেই বাংলাদেশে অরাজকতা তৈরির ছক কষা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

ভারতীয় গোয়েন্দাদের দাবি অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে পাকিস্তানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের ঢাকা সফরের পরেই এই ‘ঢাকা সেল’ গঠন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য কেবল বাংলাদেশ নয়, বরং প্রতিবেশী ভারতও তাদের ষড়যন্ত্রের অন্যতম টার্গেট।

গোয়েন্দা ইনপুট অনুযায়ী, এই গোপন ইউনিটে পাকিস্তানের সেনা, বায়ুসেনা ও নৌসেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা যুক্ত রয়েছেন। এর মধ্যে ব্রিগেডিয়ার, কর্নেল ও মেজর পদমর্যাদার আধিকারিকরাও শামিল। অভিযোগ, বাংলাদেশে মৌলবাদি কার্যকলাপ বৃদ্ধি, সন্ত্রাসবাদী নিয়োগ (Terror Grooming) এবং বড়সড় নাশকতা সৃষ্টিই এই সেলের প্রধান কাজ।

সম্প্রতি ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে যে প্রবল অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল, তা এই সেলেরই ‘পূর্বপরিকল্পিত অপারেশন’ বলে মনে করছেন ভারতীয় কর্মকর্তারা।

নির্বাচন ও অস্থিরতার ছক
সূত্র মারফত জানা গেছে, গত অক্টোবর মাস থেকেই বাংলাদেশে বড় ধরনের গোলযোগ সৃষ্টির প্রস্তুতি নিচ্ছিল এই সেল। তারা কেবল সঠিক সময়ের অপেক্ষায় ছিল। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে নির্বাচনের ঘোষণা হতেই সেই সুযোগ কাজে লাগায় পাকিস্তান। উদ্দেশ্য—অস্থিরতা জিইয়ে রেখে নির্বাচনের ফলাফল নিজেদের অনুকূলে আনা অথবা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করা। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জামায়াতে ইসলামীকে সামনে রেখে বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতিপথ বদলে দেওয়াই আইএসআই-এর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ।

গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, এই কৌশলটি শ্রীলঙ্কায় পাকিস্তান হাইকমিশন থেকে পরিচালিত পুরনো একটি আইএসআই অপারেশনেরই প্রতিচ্ছবি, যা পরে ভারতের এনআইএ (NIA) দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল।

১৯৭১-এর বদলা ও ভারত-বিরোধী ষড়যন্ত্র
বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরাজয়ের গ্লানি এখনও ভুলতে পারেনি পাকিস্তান। বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা বাংলাদেশকে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ‘ভালনারেবল’ বা দুর্বল মনে করছে। তবে গোয়েন্দারা সতর্ক করছেন যে, আইএসআই-এর মূল লক্ষ্য আসলে ভারত। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে ‘স্লিপার সেল’ সক্রিয় করা এবং সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ বাড়িয়ে ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফাটল ধরানোই তাদের বৃহত্তর এজেন্ডা। আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টাও এর অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। পাকিস্তানের এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় ভারত যে সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও সক্ষম, সে বিষয়েও আত্মবিশ্বাসী নয়াদিল্লি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD