1. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ক্যাপ্টেন তারেক রহমান ওয়াশিংটনে দুই দেশের আলোচনা || রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় চেয়েছে বাংলাদেশ ওয়ান-ইলেভেনের নেপথ্যে ‘সমন্বিত কুচক্রী’ একের পর এক প্লট সাজানো হয় অন্ধকারে ছিল তৎকালীন সরকার ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের গ্রেপ্তার পুলিশ হত্যার বিচার হবে, বললেন আইজিপি শহীদ মিনারের ব্যতিক্রমী ঘটনা রাষ্ট্রপতির বিদায়ের বার্তা? গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা লোপাট মাদুরো বুঝেন !! হাসিনা বুঝেননা হাদিকে খুনের জন্যই ফয়সালকে জামিনে বের করা হয় টানা ১৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে, বই ছাড়া নতুন বছর || রাষ্ট্রের ব্যর্থতার নগ্ন প্রমাণ

৫ আগষ্ট, শেখ হাসিনা কে হত্যা পরিকল্পনা ও একটি সুদূরপ্রসারী নীলনকশার বাস্তবায়ন

দৈনিক নতুন আলো ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

৪ আগস্ট রাত থেকে ৫ আগস্ট সকাল পর্যন্ত সেনাপ্রধান ওয়াকারের সঙ্গে কথা হয়েছে ভারতের সেনাপ্রধানের।

পরিস্থিতি উল্লেখ করে ভারতের সেনাপ্রধান ফোনে ওয়াকারকে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যেন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়। ওয়াকার কোনো নিশ্চয়তা দিলেন না। ভারতের তরফ থেকে শেখ হাসিনাকে বলা হয়েছিল নিরাপদ স্থানে সরে যেতে। যেহেতু সেনাবাহিনী থেকে কোনো আশ্বাস পাওয়া যাচ্ছিল না।

শেখ হাসিনা বিশ্বাস রেখেছিলেন ওয়াকার ও তার বাহিনীর কথার ওপর। তিনি রাজি হন নি। এরপর দফায় দফায় বিভিন্ন নেগোসিয়েশনের পরেও ওয়াকারের তরফ থেকে কোনো ভরসা না পেয়ে শেখ হাসিনাকে সরাসরি ফোন করে দ্রুত গণভবন ত্যাগ করতে বলেন ভারত সরকারের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ একজন। ধরে নেয়া যায় সেই ব্যক্তিটি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর কিংবা নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। তারা জেনে গিয়েছিলেন সেনাসমর্থনে শেখ হাসিনাকে হত্যার সমস্ত পরিকল্পনা। সেই ৫ আগস্ট দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দিতে অস্বীকৃতি জানানো সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনী আজ তারেক রহমানকে ৩ স্তরের নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। যারা গণভবনে ও নিরাপত্তা দিতে পারে নি, থানা ও পুলিশের নিরাপত্তা দেয় নি, তারা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

২০০৭ সালে এক সেনাশাসনে দেশ ছেড়ে যাওয়া তারেক রহমান আরেক সেনাশাসনে ভর করেই ফিরেছে। এই রাস্তা তৈরি করতে ২০০৯ সালে কোরবানি দেয়া হয়েছে ৫৭ সেনা সদস্যদের জীবন, যারা ২০০৪ সাল থেকে তারেক-বাবর গংয়ের তৈরি করা জেএমবি আর বাংলা ভাইদের খুঁজে আটক করেছিলেন, ১০ ট্রাক অস্ত্র হাতেনাতে ধরে এদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করেছিলেন, ২০০৭ সালে তারেকের দুর্নীতির ফিরিস্তি বের করে এনেছিলেন।

পিলখানায় এই সেনাসদস্যদের একত্র করা হয় এবং নৃশংসভাবে হত্যা করে তারেকের পথের কাঁটা সরিয়ে দেয়া হয়।

‘আই হ্যাভ এ্য প্ল্যান’ মূলত আজকের না, এই প্ল্যান শুরু হয়েছে সেই ২০০৯ থেকেই। আজ গিয়ে পূর্ণতা পেল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD