1. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
শেখ হাসিনার পতন ও সামরিক বাহিনীর নীরব অভ্যুত্থান: নেপথ্যের অজানা অধ্যায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ক্যাপ্টেন তারেক রহমান ওয়াশিংটনে দুই দেশের আলোচনা || রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় চেয়েছে বাংলাদেশ ওয়ান-ইলেভেনের নেপথ্যে ‘সমন্বিত কুচক্রী’ একের পর এক প্লট সাজানো হয় অন্ধকারে ছিল তৎকালীন সরকার ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের গ্রেপ্তার পুলিশ হত্যার বিচার হবে, বললেন আইজিপি শহীদ মিনারের ব্যতিক্রমী ঘটনা রাষ্ট্রপতির বিদায়ের বার্তা? গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা লোপাট মাদুরো বুঝেন !! হাসিনা বুঝেননা হাদিকে খুনের জন্যই ফয়সালকে জামিনে বের করা হয়

মাসিক মদিনা ও কিংবদন্তির কথা

দৈনিক নতুন আলো ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

আমি মুজিবকে বলে দিবো সে টাকা পরিশোধ করে দেবে……শেখ লুৎফুর রহমান

শ্রদ্ধেয় সম্পাদক সাহেব,
সালাম নিবেন। আশা করি কুশলেই আছেন। পরকথা হলো, আমি ‘মাসিক মদীনা’র একজন নিয়মিত গ্রাহক। গত দু’মাস ধরে মদীনা পত্রিকা আমার নামে আসছে না। তিন মাসের বকেয়া ছিলো। তাই হয়তো আপনি পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছেন।

আমি মুজিবকে চিঠি লিখে বলে দেবো। সে যেন আপনার টাকা পরিশোধ করে দেয়। আমি বৃদ্ধ মানুষ, প্রিয় মদীনা পত্রিকা ছাড়া সময় কাটানো অনেক কষ্টকর। আশা করি আগামী মাস থেকে মদীনা পড়তে পারবো। আমার জন্য দোয়া করবেন। আমিও আপনার জন্য দোয়া করবো।

ইতি
শেখ লুৎফুর রহমান
টুঙ্গিপাড়া, ফরিদপুর।

‘মাসিক মদীনা’ পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দীন খান চিঠিটি পাওয়ামাত্র পকেটে ভরে ছুটলেন বঙ্গভবনে। বঙ্গবন্ধুর সাথে তাঁর তুই-তোকারি সম্পর্ক।

মুহিউদ্দীনকে দেখামাত্র বঙ্গবন্ধু বললেন, “তুই এতোদিন পর আমাকে দেখতে এলি! এখানে বসার পর সবাই যেন দূরে চলে গেছে। পর হয়ে গেছে।”

বঙ্গবন্ধু তখন ছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। মুহিউদ্দীন খান কিছুক্ষণ কথা বলার পর বললেন, “আমার পত্রিকার ডিক্লারেশন তথ্যমন্ত্রণালয় থেকে বাতিল করে দিয়েছে।”

বঙ্গবন্ধু খানিকটা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “তুই তো রাজাকার ছিলি না। তাহলে তোর পত্রিকা ওরা বন্ধ করবে কেন!?”

বঙ্গবন্ধু তার পাশে দাঁড়ানো পিএসকে বললেন, “তথ্য সচিবকে কল লাগাও!”

মুহিউদ্দীন খান পাঞ্জাবির পকেট থেকে চিঠিটি বের করলেন। বঙ্গবন্ধুর হাতে দিলেন। বাবার হাতের পরিচিত লেখা পড়ে বঙ্গবন্ধু আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। চিঠিটি পড়তে গিয়ে তার চোখ ছলছল করছে।

চিঠিটি পড়া শেষে তিনি মুহিউদ্দীন খানকে জড়িয়ে ধরে বাচ্চাছেলের মতো কাঁদতে লাগলেন। কান্না থামার পর বললেন, “তুই আমার কাছে আরও আগে কেন আসলি না! হারামজাদাকে তো কোনো ইসলামি পত্রিকা বন্ধ করতে বলিনি। আজ আমার বাবা দুনিয়াতে নাই! গত কয়েকদিন আগে তিনি ইন্তেকাল করেছেন।”সেই থেকে মাসিক মদীনা আর বন্ধ হয়নি। তারপর থেকেই চলছে মদীনার সবুজ গম্বুজের বার্তার প্রচার।

(মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের (রাঃ) জীবনভিত্তিক উপন্যাস ‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ বই থেকে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD