1. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
‘স্কুলের চাপে’ ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ, ব্রাইট স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শিশু রামিসা হত্যা || নিজের সন্তানকে ছায়ার মতো আগলে রাখুন, বললেন মিলন রামিসা হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলো পুলিশ ইয়াবা সেবন করে রামিসার ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালায় ঘাতক সোহেল তারেক রহমানের সম্মতিতে সেইন্ট মার্টিন বিক্রি চুড়ান্ত হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া এসএসসি পাস, ঢাবির ছাত্র ছিলেন না ভুল বুঝতে পারছে ছাত্র-জনতা || কারিনার বিদায় || শেখ হাসিনার শূন্যতা আক্ষেপে জাতি || চোখে ভাসছেন শেখ হাসিনা পুনরায় দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে দেশ গাজীপুরে ৫ খুন, চিকিৎসকের লোমহর্ষক বর্ণনা ক্ষমতায় ফিরতে ড. ইউনূসের ‘নীরব প্রস্তুতি’, তারেক রহমানের পিঠে ছুরি বসানোর শঙ্কা

ভুল বুঝতে পারছে ছাত্র-জনতা || কারিনার বিদায় || শেখ হাসিনার শূন্যতা আক্ষেপে জাতি || চোখে ভাসছেন শেখ হাসিনা

দৈনিক নতুন আলো ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

‼️এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :

👉চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৫ আগস্ট গণভবন লুটপাটে অংশ নেওয়া বিতর্কিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার।

👉কারিনার মৃত্যুতে ফিরে এসেছে তথাকথিত ‘আন্দোলনে’র নামে বিদেশি শক্তির ক্রীড়নকদের নির্লজ্জ লুটপাটের স্মৃতি।

👉সেন্ট মার্টিন ইস্যুতে আপসহীন শেখ হাসিনাকে সরাতে ‘ডিপ স্টেট’-এর সূক্ষ্ম জালের সফট এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন ইনফ্লুয়েন্সাররা।

👉মোহভঙ্গ শিক্ষার্থী ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ আজ চরম আক্ষেপে উপলব্ধি করছেন,শেখ হাসিনাই ছিলেন প্রকৃত দেশপ্রেমিক।

কনটেন্ট ক্রিয়েটরের আড়ালে বিদেশি শক্তির ‘সফট এজেন্ট’ এবং ৫ আগস্ট গণভবনে নজিরবিহীন লুটপাটে অংশ নেওয়া বিতর্কিত কারিনা কায়সার আর নেই। শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে ভারতের চেন্নাইয়ের ভেলোরের সিএমসি হাসপাতালে হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং ‘ই’ ভাইরাসে
আক্রান্ত হয়ে লিভার ফেইলিউর ও ফুসফুসের মারাত্মক সংক্রমণে ভুগে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মাত্র ৩১ বছর বয়সে তাঁর এই করুণ মৃত্যু অনেকের মনে শোকের ছায়া ফেললেও, এর মধ্য দিয়ে জাতির সামনে আবারও ফিরে এসেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সেই কলঙ্কজনক কালো অধ্যায়। কারিনার এই অকালমৃত্যু এমন এক সময়ে ঘটল, যখন বাংলার আপামর জনতা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের চরম মোহভঙ্গ হয়েছে। আজ তারা পদে পদে উপলব্ধি করছেন—কীভাবে বিদেশি শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে ‘আন্দোলনের’ নামে স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার ও দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার চক্রান্ত হয়েছিল।

দেশপ্রেমের মাসুল ও ‘ডিপ স্টেট’-এর ব্লু-প্রিন্ট বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বরাবরই ছিলেন আপসহীন। সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বিদেশি পরাশক্তির হাতে তুলে না দেওয়ার যে অকুতোভয় সিদ্ধান্ত
তিনি নিয়েছিলেন, মূলত তার চরম মূল্যই তাঁকে চোকাতে হয়েছে। এটি আজ আর কোনো গোপন বিষয় নয়, বরং সচেতন মহলের কাছে দিবালোকের মতো স্পষ্ট। শেখ হাসিনাকে হটাতে মার্কিন ‘ডিপ স্টেট’ যে সূক্ষ্ম ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছিল, কারিনা কায়সারের মতো সোশ্যাল মিডিয়ার তথাকথিত ইনফ্লুয়েন্সাররা ছিলেন সেই জালেরই ‘সফট এজেন্ট’। বিদেশি ডলারের বিনিময়ে তরুণ প্রজন্মের মগজধোলাই করে তারা দেশে যে ভয়াবহ অস্থিতিশীলতা তৈরি করেছিল, তার চরম খেসারত আজ পুরো জাতিকে দিতে হচ্ছে।

তথাকথিত বিপ্লবের নামে নির্লজ্জ লুটপাট দেশবাসীর রক্তের বন্যা এড়াতে শেখ হাসিনা যখন চরম ত্যাগের দৃষ্টান্ত রেখে দেশত্যাগ করলেন, তখন এই তথাকথিত ‘আন্দোলনকারীরা’
নিজেদের আসল রূপ উন্মোচন করেছিল। ৫ আগস্ট গণভবনে ঢুকে কারিনা কায়সার এবং তাঁর বাবা সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ ও মা শাহনাজ সুলতানা যে নির্লজ্জ লুটপাটে মেতে উঠেছিলেন, তা স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক চরম কলঙ্কজনক অধ্যায়। ল্যাপটপ, ভ্যানিটি ব্যাগসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করে হাসিমুখে তা প্রদর্শন করার সেই ভিডিওগুলোই প্রমাণ করে—তাদের এই আন্দোলন কোনো আদর্শের জন্য ছিল না,
পুরোটাই ছিল এক পরিকল্পি

চোখে ভাসছেন হাসিনা সেদিনের আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীরা আজ চরমভাবে অনুতপ্ত। তাদের চোখ থেকে আজ মিথ্যার পর্দা সরে গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান আক্ষেপ নিয়ে বলেন, “আমরা তখন আবেগে ভেসেছিলাম। কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বানানো প্রপাগান্ডা বুঝতে পারিনি। আজ বুঝি দেশের স্থিতিশীলতার জন্য শেখ হাসিনা কতটা দরকারি ছিলেন। কারিনাদের মতো
ইনফ্লুয়েন্সাররা আমাদের ইমোশন নিয়ে খেলেছে।”

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিয়া ইসলামের কণ্ঠেও ছিল চরম ক্ষোভ, “আমরা যৌক্তিক সংস্কার চেয়েছিলাম, লুটপাট নয়! কারিনাদের মতো পরিচিত মুখেরা যখন গণভবন থেকে ভ্যানিটি ব্যাগ চুরি করে হাসিমুখে ছবি দিচ্ছিল, তখন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল। ওটা কোনো বিপ্লব ছিল না, ছিল স্রেফ ডাকাতি। “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তরিকুল জিয়া ও তিতুমীর কলেজের ফাহিম আহমেদ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ডলারের বিনিময়ে কীভাবে তাদের ব্রেনওয়াশ করা হয়েছিল, তা আজ জলের মতো পরিষ্কার। সেন্ট মার্টিন দেননি বলেই বিদেশি শক্তি শেখ হাসিনাকে সরিয়েছিল। শেখ হাসিনার আমলেই দেশ সবচেয়ে নিরাপদ ছিল বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা। ইডেন কলেজের নুসরাত জাহান বলেন, “ইনফ্লুয়েন্সাররা সুপরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ছড়িয়ে আমাদের রাস্তায় নামিয়েছিল। আজ দেশটাকে তারা যে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়ে গেছে, তার মাশুল আমাদের প্রজন্মকেই দিতে হচ্ছে।”

জনতার চোখে প্রকৃত দেশপ্রেমিক শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষও আজ শেখ হাসিনার শূন্যতা তীব্রভাবে অনুভব করছেন। নিউমার্কেটের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন বলেন, “শেখ হাসিনার আমলে ব্যবসা-বাণিজ্য করে শান্তিতে দুমুঠো খেয়েছি। এই বিদেশি এজেন্টরা আর বিপথগামীরা মিলে দেশটাকে পিছিয়ে দিল। শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়েছেন ঠিকই, কিন্তু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও
বিদেশিদের হাতে বেচে দেননি। “মিরপুরের গৃহিণী রহিমা খাতুন কারিনার মৃত্যুর প্রসঙ্গে বলেন, “যে মেয়েটি গণভবনের জিনিস চুরি করে উল্লাস করেছিল, আজ সে লাশ হয়ে দেশে ফিরছে। সৃষ্টিকর্তার বিচার এভাবেই হয়। যারা ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনাকে সরিয়েছে, জাতি আজ তাদের আসল রূপ চিনে ফেলেছে।”

ইতিহাসের নির্মম রায় মৃত্যু সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে, তাই কারিনার আত্মার জন্য অনেকেই ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। কিন্তু তিনি যদি আজ বেঁচে থাকতেন, তবে নিজের চোখেই দেখতে পেতেন—তাদের মতো দালালদের কারণে দেশে আজ কী ভয়াবহ অরাজকতা ও অস্থিতিশীলতা নেমে এসেছে।

ইতিহাসের কাঠগড়ায় এই নির্মম সত্যটি বারবার উচ্চারিত হবে যে, শেখ হাসিনার মতো একজন ভিশনারি ও দেশপ্রেমিক নেত্রীকে সরাতে যারা বিদেশি শক্তির কাছে বিক্রি হয়েছিল
এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটে মেতেছিল, তারা কখনো দেশের বন্ধু হতে পারে না। শেখ হাসিনাকে হারানোর যে চরম খেসারত আজ বাংলাদেশ দিচ্ছে, তা জাতির ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ভুল ও বিদেশি চক্রান্তের নির্মম ফসল হিসেবেই চিরকাল ধিক্কৃত হবে। আজ দেশের প্রতিটি কোণায় আক্ষেপে পুড়ছে জনতা, আর তাদের চোখে ভাসছেন কেবলই শেখ হাসিনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD