1. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনাকে নিয়ে দেশে ফিরব: বীর বিক্রম মায়া চৌধুরীর চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেখ হাসিনার প্রাসঙ্গিকতা দুবাই পুলিশের হাতে গ্রেফতার বেনজীর আহমেদ ‘স্কুলের চাপে’ ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ, ব্রাইট স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শিশু রামিসা হত্যা || নিজের সন্তানকে ছায়ার মতো আগলে রাখুন, বললেন মিলন রামিসা হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলো পুলিশ ইয়াবা সেবন করে রামিসার ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালায় ঘাতক সোহেল তারেক রহমানের সম্মতিতে সেইন্ট মার্টিন বিক্রি চুড়ান্ত হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া এসএসসি পাস, ঢাবির ছাত্র ছিলেন না ভুল বুঝতে পারছে ছাত্র-জনতা || কারিনার বিদায় || শেখ হাসিনার শূন্যতা আক্ষেপে জাতি || চোখে ভাসছেন শেখ হাসিনা

৩০ লাখ শহীদের ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা | স্বাধীনতা বিরোধীদের মিথ্যা উন্মোচন করেছে আন্তর্জাতিক নথি

দৈনিক নতুন আলো ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে স্বাধীনতাবিরোধী নস্টালজিক শক্তিগুলোর অপচেষ্টা আজও থামেনি। সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে—কিন্তু তারা এখনো পরিকল্পিতভাবে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে ৩০ লাখ শহীদের প্রশ্নে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ গণহত্যাকে খাটো করে দেখানোর একটি সচেতন রাজনৈতিক কৌশলই আজ দৃশ্যমান।

যারা আজ দাবি করে যে “৩০ লাখ শহীদের কথা নাকি অনেক পরে বলা হয়েছে”, তারা হয়তো ইতিহাস জানে না, নয়তো জেনেশুনেই সত্য গোপন করছে।

বাস্তবতা হলো—বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার বহু আগেই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পত্রিকা, জার্নাল ও বিদেশি সাংবাদিকদের প্রতিবেদনে ইংরেজিতে ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যার উল্লেখ পাওয়া যায়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই বিশ্বের বিবেকবান গণমাধ্যম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার ভয়াবহতা তুলে ধরেছিল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে জাতির সামনে ৩০ লাখ শহীদের কথা বলেন—এটি ঐতিহাসিক সত্য। কিন্তু এই সংখ্যা কোনো হঠাৎ উচ্চারিত রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল না। এর বহু আগেই আন্তর্জাতিক পরিসরে এই সংখ্যা স্বীকৃত, আলোচিত ও নথিভুক্ত ছিল। বিদেশি সাংবাদিক, মানবাধিকার সংগঠন এবং আন্তর্জাতিক জার্নালগুলো ধারাবাহিকভাবে পূর্ব বাংলায় সংঘটিত গণহত্যাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে এই সংখ্যার মাধ্যমেই।

আজ যারা এই সত্য অস্বীকার করে, তারা মূলত মুক্তিযুদ্ধের অপরাধকে লঘু করতে চায়। তারা গণহত্যাকে “সংখ্যার বিতর্কে” নামিয়ে এনে ইতিহাসকে ঝাপসা করতে চায়, যাতে অপরাধীর দায় হালকা হয়ে যায়। এটি কেবল ইতিহাস বিকৃতি নয়—এটি শহীদদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা এবং স্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান।

সংখ্যা নিয়ে কূটতর্ক তুলে মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না। ৩০ লাখ শহীদ শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়—এটি একটি জাতির আত্মত্যাগ, বেদনা ও সংগ্রামের প্রতীক। আন্তর্জাতিক দলিল, বিদেশি পত্রিকা এবং সমসাময়িক নথিই প্রমাণ করে দেয় যে এই ইতিহাস কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়, এটি নথিভুক্ত বাস্তবতা।

স্বাধীনতাবিরোধীরা যতই ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করুক, সত্য বদলাবে না। কারণ ইতিহাস লেখা হয়েছে লাখো শহীদের রক্তে—মা বোনের ইজ্জতে।
আর সেই ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না,
না অস্বীকার দিয়ে, না বিকৃতি দিয়ে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD