1. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনাকে নিয়ে দেশে ফিরব: বীর বিক্রম মায়া চৌধুরীর চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেখ হাসিনার প্রাসঙ্গিকতা দুবাই পুলিশের হাতে গ্রেফতার বেনজীর আহমেদ ‘স্কুলের চাপে’ ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ, ব্রাইট স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শিশু রামিসা হত্যা || নিজের সন্তানকে ছায়ার মতো আগলে রাখুন, বললেন মিলন রামিসা হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলো পুলিশ ইয়াবা সেবন করে রামিসার ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালায় ঘাতক সোহেল তারেক রহমানের সম্মতিতে সেইন্ট মার্টিন বিক্রি চুড়ান্ত হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া এসএসসি পাস, ঢাবির ছাত্র ছিলেন না ভুল বুঝতে পারছে ছাত্র-জনতা || কারিনার বিদায় || শেখ হাসিনার শূন্যতা আক্ষেপে জাতি || চোখে ভাসছেন শেখ হাসিনা

পানি কি আসলেই আকাশে ওঠে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

পানি কি আসলেই আকাশে ওঠে?

ভরা বিল থেকে পানি আকাশে উঠে যাচ্ছে! পানি বাষ্প হয়ে শূন্যে মিলিয়ে যায়। সে দৃশ্য খালি চোখে দেখা যায় না। কিন্তু এই দৃশ্য বহুদূর থেকেও দেখা গেছে। যেন বিল থেকে পানি মোটা পাইপ দিয়ে কেউ শূন্যপানে টেনে নিচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভেসে বেড়াচ্ছে এমন একটি ভিডিও।

ঘটনাটি ঘটেছে মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরে। দেখতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এ ঘটনার বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যা আছে। যদিও অনেকে বিষয়টি ‘অলৌকিক’ বলে মনে করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্মিত হয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন, এমনকি কয়েকটি নিউজ পোর্টাল এই ঘটনার সংবাদ শিরোনামে ‘অলৌকিক’ শব্দটি জুড়ে দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়াবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ও চেয়ারম্যান ড. তওহিদা রাশিদের সঙ্গে।

নাজমুল হক বলেন, এ ধরনের ঘটনার বৈজ্ঞানিক নাম ওয়াটার স্পুট বা জলস্তম্ভ। এ ধরনের স্তম্ভ গভীর পানিতেও হতে পারে, অগভীর পানিতেও হতে পারে। এটা সমুদ্র নদী কিংবা লেকেও হতে পারে। এটাকে অনেকে পানির টর্নেডো বলেন। এই টর্নেডো দুই প্রকার। যাই হোক, মূলত পানির ওপর বাতাস ঘুরতে থাকে এবং কিছু ময়েশ্চার উপরে তুলে নেয়। এটা ফানেল আকারে উপরে উঠতে থাকে (নিচের দিকে চিকন উপরের দিকে মোটা)।

এর স্থায়িত্ব সাধারণত ২০ মিনিটের মতো হয় উল্লেখ করে এই আবহাওয়াবিদ আরো বলেন, একটা ঘূর্ণিঝড়ের গতি সর্বোচ্চ ২৫০ কিলোমিটায় এবং একটা টর্নেডোর সর্বনিম্ন গতিবেগ ২৫০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার। সুতরাং এর গতিবেগ যথেষ্ট বিপজ্জনক। এবং এ ধরনের জলস্তম্ভের আশেপাশে বাতাসের গতিবেগ ১২০ কিলোমিটার হয়ে থাকে। যদিও এগুলো খুব ছোট এরিয়া নিয়ে হয়।

ড. তওহিদা রাশিদ বলেন, এটি এক ধরনের টর্নেডো। কখনো কখনো শক্তিশালী হয়ে উপরের দিকে বাতাস টেনে নিয়ে যায়। টর্নেডো মাটিতে হলে বাড়িঘর উপরে নিয়ে যায় এবং পানিতে হলে পানি ও অন্যন্য উপাদান নিয়ে যায়। ঘূর্নিঝড় যখন শক্তিশালী রূপ নেয় সেটাই টর্নেডো।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পৃথিবীর অষ্টম টর্নেডোপ্রবণ দেশ। কানাডা, ইংল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, নিউজিল্যান্ড, জাপান, ভারত প্রভৃতি দেশ এই তালিকায় রয়েছে। ১৯৮৯ সালে মানিকগঞ্জে ‘দৌলতিয়া-সাটুরিয়া টর্নেডো’কে এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী টর্নেডো মনে করা হয়। যার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৪১৮ কিলোমিটার। এ ঘটনায় ১৩০০ জনের মৃত্যু হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD