1. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনাকে নিয়ে দেশে ফিরব: বীর বিক্রম মায়া চৌধুরীর চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেখ হাসিনার প্রাসঙ্গিকতা দুবাই পুলিশের হাতে গ্রেফতার বেনজীর আহমেদ ‘স্কুলের চাপে’ ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ, ব্রাইট স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শিশু রামিসা হত্যা || নিজের সন্তানকে ছায়ার মতো আগলে রাখুন, বললেন মিলন রামিসা হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলো পুলিশ ইয়াবা সেবন করে রামিসার ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালায় ঘাতক সোহেল তারেক রহমানের সম্মতিতে সেইন্ট মার্টিন বিক্রি চুড়ান্ত হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া এসএসসি পাস, ঢাবির ছাত্র ছিলেন না ভুল বুঝতে পারছে ছাত্র-জনতা || কারিনার বিদায় || শেখ হাসিনার শূন্যতা আক্ষেপে জাতি || চোখে ভাসছেন শেখ হাসিনা

শারিরীক সম্পর্কে সন্তুষ্ট না হওয়ায় খুন করেন প্রেমিককে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০২২
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

সিঙ্গাপুরে থাকায় প্রতিবেশী শফিকুলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন মোরশেদা। শারীরিক মেলামেশাও হয় তাদের। তবে নানা ধরনের রোগ থাকায় মোরশেদাকে কখনোই শারীরিক তৃপ্তি দিতে পারেননি শফিকুল। তবু ফের করতে চান শারীরিক সম্পর্ক। কিন্তু ‘তুষ্ট’ করতে না পারায় প্রেমিক শফিকুলকে নিজের ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরে খুন করেন প্রেমিকা।

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শফিকুল ইসলাম হত্যায় ৩৩ বছর বয়সী মোরশেদা আক্তারের জবানবন্দিতে বেরিয়ে আসে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য। একই সঙ্গে এ হত্যার রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য জানান মির্জাপুর-নাগরপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এসএম মনসুর মুছা।

মোরশেদা নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবুল হোসেনের স্ত্রী। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে মোরশেদার দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

স্বীকারোক্তিতে মোরশেদা জানান, এক বছর ধরে সিঙ্গাপুরে থাকেন তার স্বামী বাবুল। এরপর প্রতিবেশী সমেশ আলীর ছেলে ৪৫ বছরের শফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক সময় গড়ে ওঠে প্রেম। সম্প্রতি তার সঙ্গে শারীরিক মেলামেশা করেন শফিকুল। কিন্তু তিনি নানা ধরনের রোগে ভুগছিলেন। এ কারণে কখনোই তাকে শারীরিক তৃপ্তি দিতে পারেননি।

১৮ জুলাই বিকেলে ফের মোরশেদার বাড়িতে যান শফিকুল। ওই সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে মোরশেদার সঙ্গে শারীরিক মেলামেশার চেষ্টা করেন তিনি। এ নিয়ে বাড়ির টিউবওয়েলের কাছে দুজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি হয়। এ সময় শফিকুল পড়ে যান। পরে নিজের ওড়না দিয়ে শফিকুলের মুখ চেপে ধরেন মোরশেদা। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে তার মরদেহ পাশের টয়লেটে লুকিয়ে রাখেন মোরশেদা। এছাড়া বিষয়টি দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে জানান তিনি। তারা মরদেহ লুকানোর সিদ্ধান্ত নেন। ওই দিন রাত প্রায় ১২টার দিকে মরদেহ চটের বস্তায় ভরে বারেকের অটোরিকশায় উঠিয়ে গ্রামের একটি সেতুর নিচে ফেলে রাখেন তারা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯ জুলাই সকালে নাগরপুর উপজেলার মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের সেতুর নিচ থেকে অজ্ঞাতপরিচয়ে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মরদেহটি শফিকুলের বলে শনাক্ত করেন স্ত্রী রাহেলা বেগম। এরপর নাগরপুর থানায় হত্যা মামলা তিনি।

মামলার পর ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেন নাগরপুর থানার এসআই মনোয়ার হোসেন। উন্নত তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও সনাতন পদ্ধতির পুলিশি কৌশল ব্যবহার করে দ্রুত এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেন পুলিশের এ কর্মকর্তা। একই সঙ্গে বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD