ইমরান খানের পার্টি পাকিস্তান সরকারকে ২৪ ঘন্টা সময় দিয়েছে ইমরান খানের সাথে তাদের বোনদের স্বাক্ষাৎ করতে দিতে। পাকিস্তান তেহরিকি ইনসাফ পার্টির ভেরিফাইড টুইটার হ্যান্ডেলে এই বছরের জুলাইয়ের ১৬ তারিখে দেওয় ইমরান খানের একটা বক্তব্য পোষ্ট করা হচ্ছে “যদি জেলে আমার কিছু হয় তবে আসিম মুনীর (সেনাপ্রধান) দায়ী থাকবেন”।
ইমরান খানের বোন টিভিতে এক বক্তব্যে জানিয়েছেন যদি কেউ তার ভাইয়ের একটা চুলও ছিঁড়ে, তবে দায়ীরা কেউ বাঁচতে পারবে না, দেশও ছাড়তে পারবে না। ইমরান খানের ছেলে সরকারের কাছে তার বাবা জীবিত সে প্রমান চেয়েছেন।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মানুষের কি পরিমাণ ক্ষোভ সেটা নানা সময়ে নানা ইস্যুতে দেখা গেছে। ইমরানের পার্টির সদস্যরা তো এবার ক্ষোভে জেল ভাঙতে চেয়েছিলেন।

সেই ৬০ এর দশক থেকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী যা যা করেছে সবকিছু দেশের তথা দীর্ঘমেয়াদে জনগণের স্বার্থের বাইরে গেছে। মানুষ ধীরে ধীরে তাদের সমস্যার গোঁড়া কোথায় সেটা বুঝতে শুরু করেছে। পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে একটা গণবিস্ফোরণের সম্ভাবনা খুবই নিকটে মনে হয়। প্রশ্ন হচ্ছে কবে ঘটবে? আমাদের পূর্ব পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শেখার আছে অনেক কিছু এখান থেকে।
ইমরান জীবিত না মৃত ওটা আসলে এই মূহুর্তে বিশাল কোন ইস্যু নয়। ইমরান জীবিত হোক বা মৃত পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই খেলায় ইতিমধ্যে পরাজিত হয়েছে। জীবিত ইমরান পাকিস্তানে সেনাবাহিনী বিরোধী ক্রমবর্ধমান জনতার নিউক্লিয়াসে পরিনত হবেন, হয়েছেন। মৃত ইমরান হবেন আরো ভয়াবহ রকমের শক্তিশালী, সেনাবাহিনী বিরোধী একজন আইকনে।