গ্রাম থেকে আশুলিয়ায় বেড়াতে আসা কথিত দাদাকে (৪০) হত্যা করে পালানোর অভিযোগ উঠেছে এক দম্পতির বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে আশুলিয়ার পূর্ব ডেন্ডাবর এলাকায় মো. আসলামের মালিকানাধীন টিনশেড বাড়ির একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাড়ির মালিক ও প্রতিবেশীর জানান, বাড়ির একটি কক্ষে সবুজ ও জেসমিন নামে এক দম্পতি গত পাঁচ মাস ধরে বসবাস করে আসছিলো।
শনিবার রাতে জেসমিনের দাদা পরিচয়ে এক ব্যক্তি গ্রাম থেকে বেড়াতে আসেন। পরে রোববার সারাদিন তাদের ঘর থেকে কোন শব্দ পাওয়া যাচ্ছিলো না। এমনকি বাইরের যৌথ রান্না ঘরে সারাদিন তাদের কাউকে দেখতে না পেয়ে সন্দেহ হয়। আবার তাদের দুই মাসের ঘর ভাড়া বকেয়া ছিলো।
পরে কক্ষের কাছে গিয়ে দেখা যায় দরজা তালাবদ্ধ। প্রথমে সবাই ভেবেছিলো ভাড়া না দিয়ে হয়তো পালিয়েছে। কিন্তু তালা ভেঙ্গে ঘরের মেঝেতে গলায় গামছা পেছানো অবস্থায় ওই ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পান। পরে আশুলিয়া থানায় খবর দেয়া হয়।
পলাতক দম্পতি সুবজ ও জেসমিন। তাদের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া। তবে তাদের পরিচয় সঠিক কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে বলে পুলিশের দাবী। ওই এলাকায় সবুজ রাজমিস্ত্রির কাজ করতো ও জেসমিন গৃহিনী।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম কামরুজ্জামান জানান, নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমকিভাবে ধারনা করা হচ্ছে ওই ব্যক্তিকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়েছে ওই দম্পতি। তবে নিহতের পরিচয় পাওয়া গেলে জানা যাবে, তারা আসলেই আত্মীয়-স্বজন কিনা বা হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের প্রক্রিয়া চলছে।