1. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
শেখ হাসিনার পতন ও সামরিক বাহিনীর নীরব অভ্যুত্থান: নেপথ্যের অজানা অধ্যায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ক্যাপ্টেন তারেক রহমান ওয়াশিংটনে দুই দেশের আলোচনা || রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় চেয়েছে বাংলাদেশ ওয়ান-ইলেভেনের নেপথ্যে ‘সমন্বিত কুচক্রী’ একের পর এক প্লট সাজানো হয় অন্ধকারে ছিল তৎকালীন সরকার ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের গ্রেপ্তার পুলিশ হত্যার বিচার হবে, বললেন আইজিপি শহীদ মিনারের ব্যতিক্রমী ঘটনা রাষ্ট্রপতির বিদায়ের বার্তা? গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা লোপাট মাদুরো বুঝেন !! হাসিনা বুঝেননা হাদিকে খুনের জন্যই ফয়সালকে জামিনে বের করা হয়

রোববার দক্ষিণাঞ্চলে আরও একটি সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দুই মাস নয় দিন পর, রোববার দক্ষিণাঞ্চলে আরও একটি সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বরিশাল-পিরোজপুর-খুলনা সড়কের বেকুটিয়ায় কচা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে সেতুটি। এটি চালু হলে নতুন মাত্রা পাবে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

কচা নদীর ওপর নির্মিত অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু উদ্বোধনের দিন গণনা শেষ। রোববারই দ্বার খুলতে যাচ্ছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের স্বপ্নের এই সেতুর। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বেকুটিয়া ও পিরোজপুরের কুমিরমারা পয়েন্টে কচা নদীর ওপর নির্মিত সেতুটির নামকরণ করা হয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সেতু। দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি চালু হলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাথে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন হবে।

এই বেকুটিয়া সেতু দক্ষিণাঞ্চলের দুই বিভাগকে এক করে দিয়েছে। সেতুটি চালু হলে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, পায়রা ও মংলা সমুদ্র বন্দর এবং বেনাপোল ও বাংলাবান্ধা স্থল বন্দরকে সরাসরি সড়ক পথে সংযুক্ত করবে। ২১টি জেলার সঙ্গে তৈরি হবে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ।

২০১৭ সালের অক্টোবরে কচা নদীর উপর এ সেতুর নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)। এর প্রকল্প ব্যয় ৮৯৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন ৬৫৪ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়।

৯৯৮ মিটার দীর্ঘ ও ১৩.৪০মিটার প্রস্থের এ সেতুটি করোনাসহ বেশ কিছু কারণে নির্মাণে বাঁধার সৃষ্টি হলেও নির্ধারিত সময়ে ২০২২ সালের জুন মাসেই এর কাজ শেষ হয়। সেতুটি চালুর অপেক্ষায় মানুষের মনে বইছে আনন্দের বন্যা।

কচা নদীর সর্বোচ্চ জোয়ার থেকে ৬০ ফুট উচ্চতায় নির্মিত সেতুটির তলদেশ দিয়ে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং বরিশাল ও খুলনা নদী বন্দরে পণ্য ও জ্বালানিবাহী বড় ধরনের নৌযান চলাচলও নির্বিঘ্ন থাকবে। যে কোনো জাহাজ চলাচলেও কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD