1. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
শেখ হাসিনার পতন ও সামরিক বাহিনীর নীরব অভ্যুত্থান: নেপথ্যের অজানা অধ্যায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ক্যাপ্টেন তারেক রহমান ওয়াশিংটনে দুই দেশের আলোচনা || রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় চেয়েছে বাংলাদেশ ওয়ান-ইলেভেনের নেপথ্যে ‘সমন্বিত কুচক্রী’ একের পর এক প্লট সাজানো হয় অন্ধকারে ছিল তৎকালীন সরকার ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের গ্রেপ্তার পুলিশ হত্যার বিচার হবে, বললেন আইজিপি শহীদ মিনারের ব্যতিক্রমী ঘটনা রাষ্ট্রপতির বিদায়ের বার্তা? গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা লোপাট মাদুরো বুঝেন !! হাসিনা বুঝেননা হাদিকে খুনের জন্যই ফয়সালকে জামিনে বের করা হয়

কুড়িগ্রামের রাজিবপুরের ইউ পি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনেক দুর্নীতির অভিযোগ

মোঃ শাহাদৎ হোসেন, কুড়িগ্রাম সংবাদদাতাঃ
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১ আগস্ট, ২০২২
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে বন্যা কবলিত এলাকায় অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক রাজিবপুর ইউনিয়নের বরাদ্দ সাইলোর ড্রাম পাইনি ভুক্তভোগীরা। হতদরিদ্র ও বন্যা কবলিত এলাকার জন্য সাইলো পাইরোটি অনুমোদিত তালিকায় গরীব দুখীদের মাঝে বিতরণ না করে তা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে রাজিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিরন মোঃ ইলিয়াসের বিরুদ্ধে।

এছাড়াও মুজিববর্ষ উপহারের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রত্যেক বিতরণের সময় গরীব দুঃখীদের যে স্লিপ দেওয়া হয় সেই স্লীপ ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে গেলে জানা যায় চাল/ড্রাম শেষ। সর্বশেষ রানা নামের এক ব্যক্তির ওয়ারিশ সার্টিফিকেট নিয়ে বির্তকের সৃষ্টি হয়েছে। একই ব্যক্তির বিষয়ে দুটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। একটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেটে রানা মিয়া নামের ব্যক্তি পুত্র হিসেবে তালিকাতে যুক্ত থাকলেও অপর আরেকটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেটে রানা মিয়াকে বাদ দেওয়া হয়েছে । প্রথমত একটি ফেইসবুক পেইজ থেকে রানা মিয়া ওয়ারিশ সার্টিফিকেটের জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার কথা জানালেও পরে আরেকটি বিবৃতিতে অস্বীকার করে । রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিরন মোঃ ইলিয়াস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন না করে সিংহভাগ লোপাট করে আসছে। এছাড়াও নানা দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। চেয়ারম্যানের দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ইউনিয়নবাসী ।

সাইলোর ড্রামের অনিয়মের বিষয়ে অসংখ্য ভুক্তভোগীর কাছে থেকে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় ।
রফিকুল নামে এক ব্যক্তি জানায়, আমার বাড়িতে মোট দুইটা নাম আছে। আমি একটাও ড্রাম পাইনাই। সাইলোর ড্রাম না পেয়ে আমি রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ডিসি বরাবর অভিযোগ দিয়েছি ।

মনির হোসেন নামে এক ব্যক্তি জানায়, আমার মায়ের নাম তালিকাতে ছিল। তিন দিন পরিষদ ঘুরেও সাইলো ড্রাম পাইনি । আমাদের বাড়িতে এখনও স্লীপ আছেই ।

এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জানায়, সাইলো নামের তালিকা তো আমরা জানি না। আমরা শুধু ডিওর পন্য দেই , তালিকা করবে চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান ভালো জানার কথা।

এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার নম্বরে ফোন করলে নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

রাজিবপুরে ইউপি চেয়ারম্যান মিরন মোঃ ইলিয়াসের দুর্নীতির অভিযোগ গুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি নিজেকে নির্দোষ হিসেবে দাবি করেন এবং কিছু প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সাইলোর ড্রামের অনিয়মের বিষয়ে বলেন, সাইলোর লিষ্ট অনুযায়ী বিতরণ করা হয়েছে। এখন নতুন পরিষদ হওয়ায় আগের মেম্বারদের লিষ্ট ও পরের মেম্বারদের লিষ্টে কিছু গড়মিল হয়েছে। তালিকায় নাম আছে এমন যারা পাইনি বলছে, তারা মিথ্যা বলছে। রাতে কোন সাইলোর বিতরণ করা হইনি। আমার জানামতে, রাজিবপুর সদর মেম্বার ও মহিলা মেম্বার নামে ভ্যানে ড্রাম উঠাইছিল ।

এ বিষয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামরুল আলম বাদল জানায়, আমাদের সময়ে যে নামের তালিকা করা হয়েছিল সে সব পরিবর্তন করার আসলে সুযোগ নেই। কোন ভুলত্রুটি করলে সে দায়ভার তাদেরকে নিতে হবে। এই তালিকা অনেক উপরে চলে গেছে তাই পরিবর্তন করার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অমিত চক্রবর্ত্তীর নম্বরে ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD