গত পার্টে মোঃ জলিল মোল্লা কিভাবে শ্রমিক ও কর্মচারী দের জুয়ার নেশায় আসক্ত করছে তা প্রকাশের সাথে সাথে উঠে আসে আরো কয়েকটি ঘটনা।
নতুন আলোকে জানানো এক সাক্ষাৎকারে মোঃ রেজাউল করিম জানান, তিনি পেশায় একজন বড় ধরনের দোকানি কিন্তু আজ এই চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে সে নিঃস্ব এখন রাস্তার পাশে ফল ও ডাব বিক্রি করে নিজের সংসার চালায়।

এই জলিলের কথা না বলতে চাইলেও বার বার তার কথা উঠে আসে। রেজাউল এর মতে জলিল মোল্লা এমন একজন নিকৃষ্ট মানুষ যে তার পরিচিত ও আশে পাশের সুদ ব্যাবসায়ীদের বলে, “আমি লোক পাঠাচ্ছি আপনি ভালোমত সুদ নিয়েন” এই বলে যারা তার কাছে জুয়ায় হারে তাদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাপ দেয়।
আর ভুক্তভোগীদের টাকা নেয়া ছাড়া উপায় থাকে না। এই ভাবে রেজাউল কে নিঃস্ব করে ছেড়েছে এই জলিল মোল্লা। রেজাউল তার দোকান বিক্রি করে, সমবায় সমিতি থেকে লোন করে, বাড়ি থেকে দেনা করে জলিল মোল্লার সব ঋন শোধ করেছে। ৬,৮৩০০০ (ছয় লক্ষ তিরাশি হাজার) টাকা এভাবে পরিশোধে তিনি এখন অসহায় এর মত দিনাতিপাত করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি জানায় এটা সুধু তাদের ব্যাবসা নয় আরও একটি ব্যাবসা আছে রাতভর চলে তাসের জুয়া আর মনোরঞ্জনের জন্য থাকে দেহ ব্যাবসায়ী নারী।
এই ভাবেই চলে তাদের রঙ্গীন জীবন ও মনোরঞ্জন। ক্ষমতার বড়াই আর টাকার গরম তাকে বেপরোয়া করে ফেলেছে। সচেতন মহলের কেউ কিছু বল্লেই তাদের নানা রকম ভয় ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা মামলা আর প্রশাসনের হুমকি দিয়ে হয়রানি করে। তাদের ভয়ে সাধারণ লোকজন আর কিছু বলেনা। আর কত দিন চলবে এই জলিলদের রাজত্ব, আর কত শ্রমিক হবে নিঃস্ব??!!!