বাগবাড়ি, কাশিমপুর, গাজীপুর ইউনিমাস স্পোর্টস ওয়্যার লিঃ (ক্যাপ ফ্যাক্টরি) এর সামনে জলিলের চায়ের দোকান যেন একটা মিনি ক্যসিনো।
এখানে হাজারো শ্রমিক কাজ করতে আসে কিন্তু এই জুয়ার নেশায় পড়ে সর্ব সান্ত হয়ে পালিয়ে যায়। এখানে লোকাল অনলাইন ক্যাসিনো সকল জুয়া চলে।

জুয়ার ডিলার–মোঃআব্দুল জলিল মোল্লা
ফোনঃ০১৭৬২-৯৩০১৬৩
এই ব্যাক্তি বড় ধরনের একজন ডিলার পেশায় একজন চা দোকানি, কিন্তু এইটা লোক দেখানো মাত্র আসল ব্যাবসা তার শ্রমিক কর্মচারীদের জুয়া খেলানো আর সুদে টাকা দেওয়া। যদি কোন ব্যাক্তির কাছে টাকা না থাকে তাহলে নিজে সুদে টাকা দেয়।
মাস শেষে যখন সুদের টাকা বেড়ে যায় তখন টাকা না দিতে পারলে নানা ধরনের ভয় ভীতি প্রদর্শন এমন কি মারধর করে এই জলিল মোল্লা। এই সব নির্মম নির্যাতনের ভয়ে ভূক্তভুগীরা বউ এর গহনা বিক্রয় অথবা বাড়ি থেকে দেনা করে টাকা এনে দেয়। আবার অনেক কর্মচারী ঋণের দায়ে পালিয়ে যায় এই ভাবে অনেক সংসার ও সুন্দর জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
নাজমুল নামের এক ছেলে জলিলের ফাঁদে পা দিয়ে আজ নিঃস্ব ওই এলাকায় ৫,৮০০০০( পাঁচ লক্ষ আশি হাজার) টাকা ঋণের দায়ে দিশেহারা। দৈনিক নতুন আলো কে সে বলে, প্রথমে সে এই সব খেলা দেখতো কাছে টাকা ছিল না বলে, জলিল মোল্লা তাকে বলে টাকা লাগলে নাও, এই বলে তাকে ৫০০০(পাঁচ হাজার) টাকা দেয় আর বলে মাস শেষে শোধ দিতে। কিন্তু ওই টাকা হাতে নগদ দেয়নি, জুয়ায় লাগিয়ে দিছে, প্রথম ম্যাচ হারার পর মাথা নষ্টের উপায় তার। আবার টাকা চাইলে জলিল মেল্লা বলে সুদে হলে দিতে পারবে। এই বলে ৩০,০০০ হাজার টাকা সুদে দেয়। এইরকম ভাবে ধীরে ধীরে সে ঋণের জালে আটকে যায়। শুধু নাজমুল না প্রমাণ আছে অনেক শ্রমিকদের জলিল আস্তে আস্তে জুয়ায় আসক্ত করে ফেলেছে।

সবাই সকাল বিকেল রাত এই জুয়া নিয়ে পড়ে থাকে আর শেষ হয়ে গেলে কোন সমস্যা নাই। কারণ জলিল মোল্লা নিজেই একজন এজেন্ট।
এই ভাবে চলে জুয়া, ধ্বংস হয় যুব সমাজ।
এই ব্যাক্তি প্রায় দশ বছর যাবৎ এই জুয়ার ব্যাবসা চালিয়ে আসছে এমনি করেই।