1. angela36@gmail.com : Angela :
  2. backups@wordpress.org : backup_manager :
  3. tradeworldltdbd@gmail.com : M. A-A MAMUN SOHAAG : SARA AFIYA
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
অনলাইন জুয়ার এজেন্ট আবীর আবারও অপ্রতিরোধ্য ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনাকে নিয়ে দেশে ফিরব: বীর বিক্রম মায়া চৌধুরীর চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেখ হাসিনার প্রাসঙ্গিকতা দুবাই পুলিশের হাতে গ্রেফতার বেনজীর আহমেদ ‘স্কুলের চাপে’ ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ, ব্রাইট স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শিশু রামিসা হত্যা || নিজের সন্তানকে ছায়ার মতো আগলে রাখুন, বললেন মিলন রামিসা হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলো পুলিশ ইয়াবা সেবন করে রামিসার ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালায় ঘাতক সোহেল তারেক রহমানের সম্মতিতে সেইন্ট মার্টিন বিক্রি চুড়ান্ত হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া এসএসসি পাস, ঢাবির ছাত্র ছিলেন না
;

বাগবাড়ি, কাশিমপুর (ক্যাপ ফ্যাক্টরি) এর সামনে জলিলের চায়ের দোকান যেন একটা মিনি ক্যসিনো

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২
  • ৩০১ বার পড়া হয়েছে

বাগবাড়ি, কাশিমপুর, গাজীপুর ইউনিমাস স্পোর্টস ওয়্যার লিঃ (ক্যাপ ফ্যাক্টরি) এর সামনে জলিলের চায়ের দোকান যেন একটা মিনি ক্যসিনো।
এখানে হাজারো শ্রমিক কাজ করতে আসে কিন্তু এই জুয়ার নেশায় পড়ে সর্ব সান্ত হয়ে পালিয়ে যায়। এখানে লোকাল অনলাইন ক্যাসিনো সকল জুয়া চলে।

 

জুয়ার ডিলার–মোঃআব্দুল জলিল মোল্লা
ফোনঃ০১৭৬২-৯৩০১৬৩
এই ব্যাক্তি বড় ধরনের একজন ডিলার পেশায় একজন চা দোকানি, কিন্তু এইটা লোক দেখানো মাত্র আসল ব্যাবসা তার শ্রমিক কর্মচারীদের জুয়া খেলানো আর সুদে টাকা দেওয়া। যদি কোন ব্যাক্তির কাছে টাকা না থাকে তাহলে নিজে সুদে টাকা দেয়।
মাস শেষে যখন সুদের টাকা বেড়ে যায় তখন টাকা না দিতে পারলে নানা ধরনের ভয় ভীতি প্রদর্শন এমন কি মারধর করে এই জলিল মোল্লা। এই সব নির্মম নির্যাতনের ভয়ে ভূক্তভুগীরা বউ এর গহনা বিক্রয় অথবা বাড়ি থেকে দেনা করে টাকা এনে দেয়। আবার অনেক কর্মচারী ঋণের দায়ে পালিয়ে যায় এই ভাবে অনেক সংসার ও সুন্দর জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
নাজমুল নামের এক ছেলে জলিলের ফাঁদে পা দিয়ে আজ নিঃস্ব ওই এলাকায় ৫,৮০০০০( পাঁচ লক্ষ আশি হাজার) টাকা ঋণের দায়ে দিশেহারা। দৈনিক নতুন আলো কে সে বলে, প্রথমে সে এই সব খেলা দেখতো কাছে টাকা ছিল না বলে, জলিল মোল্লা তাকে বলে টাকা লাগলে নাও, এই বলে তাকে ৫০০০(পাঁচ হাজার) টাকা দেয় আর বলে মাস শেষে শোধ দিতে। কিন্তু ওই টাকা হাতে নগদ দেয়নি, জুয়ায় লাগিয়ে দিছে, প্রথম ম্যাচ হারার পর মাথা নষ্টের উপায় তার। আবার টাকা চাইলে জলিল মেল্লা বলে সুদে হলে দিতে পারবে। এই বলে ৩০,০০০ হাজার টাকা সুদে দেয়। এইরকম ভাবে ধীরে ধীরে সে ঋণের জালে আটকে যায়। শুধু নাজমুল না প্রমাণ আছে অনেক শ্রমিকদের জলিল আস্তে আস্তে জুয়ায় আসক্ত করে ফেলেছে।

সবাই সকাল বিকেল রাত এই জুয়া নিয়ে পড়ে থাকে আর  শেষ হয়ে গেলে কোন সমস্যা নাই। কারণ জলিল মোল্লা  নিজেই একজন এজেন্ট।
এই ভাবে চলে জুয়া, ধ্বংস হয় যুব সমাজ।
এই ব্যাক্তি প্রায় দশ বছর যাবৎ এই জুয়ার ব্যাবসা চালিয়ে আসছে এমনি করেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
;

𝑫𝒂𝒊𝒏𝒊𝒌 𝑵𝒐𝒕𝒖𝒏 𝑨𝒍𝒐꧂

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Theme Customized BY TRADEWORLDLTD